মুসলিম রাইটস ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনে ডিএমপির নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা নিয়ে রাজধানী ঢাকায় পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফ অত্যান্ত উৎসব মুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদে মিলাদে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলািইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ উচ্চ আদালতের নির্দেশনা নিয়ে পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উপলক্ষে শত শত গাড়ীবহর নিয়ে বিশাল জশনে জুলুশ করা হয়।
মুসলিম রাইটস ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ০২ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখ সকাল ৯টায় পবিত্র দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে শত শত গাড়ী নিয়ে বিশাল জশনে জুলুস বের হয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ও সড়ক প্রদক্ষিণ করে। বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় শহর থেকে আগত বিপুলসংখ্যক মুসল্লি জুলুসে অংশ নেয়। শত শত গাড়ির বহর নিয়ে রাজধানীর সকল গুরুত্বপূরণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে পবিত্র রাজারবাগ দরবার প্রাঙ্গনে ‘কোটি কণ্ঠে মিলাদ শরীফ’ অনুষ্ঠানে মিলিত হয়। মিলাদ শরীফ শেষে রাজারবাগের সুন্নতি জামে মসজিদে ওয়াজ মাহফিলের পর উম্মাতে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলািইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের জন্য রহমত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতের পূর্বে বিশাল জমায়েতের উদ্দেশ্যে মিলাদুন্নবী ও মিলাদ-ক্বিয়াম শরীফকে কেউ বিদয়াত প্রমাণ করতে পারলে তাকে বা তাদেরকে ১০০ কোটি টাকার প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করা হয়।
উল্লেখ্য, পোপের আগমনের কারণে ডিএমপি জুলুস ও সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এর প্রেক্ষিতে মুসলিম রাইটস ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আদালতে নির্দেশনা চাইলে পবিত্র ঈদে মিলাদে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলািইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা, র্যালি, মিছিল, মিলাদ শরীফ মাহফিল করতে কোনো বাধা নেই বলে নির্দেশনা দেয় হাইকোর্ট। এরপরেও আদালতের নির্দেশকে উপেক্ষা করে মিলাদ মাহফিল বিরোধী কিছু পুলিশ কর্মকর্তা বিশেষ করে শাহজাহানপুর থানার পুলিশ কর্মকর্তা শোভাযাত্রা, মিছিল বের করতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে, মুসলিম রাইটস ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনে ডিএমপির নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা নিয়ে রাজধানী ঢাকায় পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফ অত্যান্ত উৎসব মুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদে মিলাদে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলািইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ উচ্চ আদালতের নির্দেশনা নিয়ে পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উপলক্ষে শত শত গাড়ীবহর নিয়ে বিশাল জশনে জুলুশ করা হয়। তবে রাজধানীর অনেক এলাকায় এবং অন্যান্য জেলায় ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা এবং বিপুল আশেকে রাসূলের ব্যাপক অংশগ্রহণে জশনে জুলুশ সমাবেশ, মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
